পূর্ণ বয়স্ক স্ত্রী পোকা এক ধরনের
মথ। পূর্ণ বয়স্ক স্ত্রী পোকার পাখার উপরে দুটো কালো ফোটা আছে। পুরুষ মথের মাঝখানে
ফোটা স্পষ্ট নয়। মাজরা পোকার আক্রমণ হলে, কান্ডের মধ্যে কীড়া,
তার খাওয়ার নিদর্শন ও মল পাওয়া যায়, অথবা
কান্ডের বাইরের রং বিবর্ণ হয়ে যায় এবং কীড়া বের হয়ে যাওয়ার ছিদ্র থাকে। গাছে মাজরা
পোকার ডিমের গাদা দেখলে বুঝতে হবে গাছের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা আছে। হলুদ মাজরা
পোকার ডিমের গাদার ওপর হালকা ধূসর রঙের একটা আবরণ থাকে।
কীড়াগুলো কান্ডের ভেতরে ঢুকে খাওয়া শুরু করে এবং
গাছের বাড়ন্ত পর্যায়ে ধীরে ধীরে গাছের ডিগ পাতার গোড়া কেটে ফেলে। ফলে ডিগ পাতা
মারা যায়। কাইচথোড় আসার পর ক্ষতি করলে সম্পূর্ণ শীষ শুকিয়ে যায় এবং সাদা শীষ বের
হয়। ফুল ফোটার আগে হলে মরা ডিগ এবং ফুল ফোটার পর হলে সাদা শীষ বের হয়।
ধান ক্ষেতের শতকরা প্রায় ৭০ – ৮০ ভাগ ফসলই নষ্ট হয়ে যেতে পারে, যদি সময়মত মাজরা পোকা দমন না করা যায়।
গ্রীন বাংলা এগ্রোভেট লিঃ এর সমাধানঃ
qকাটাপ্পা ৪৭ ডব্লিউ ডি জি ১৫ গ্রাম প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৫ শতাংশ জমিতে স্প্রে করতে হবে। একর প্রতি মাত্রা ৩০০ গ্রাম।
q অথবা শতকরা ৫ টি মরা শীষ পাওয়া গেলে কারটাপ জাতীয় কীটনাশক ক্যাপরিড
১০ গ্রাম) ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পরপর ২-৩ বার স্প্রে করুন।
q চারা রোপনের ১৫-২৫ দিনের মধ্যে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেব এই পোকার আক্রমন থেকে রক্ষার জন্য
রুস্তম ৩ জি আর (ফিপ্রনিল ৩%) প্রতি ২৫ শতাংশে
২০০ গ্রাম প্রয়োগ করতে হবে।
q অথবা সাইক্লোবন্ড
৫৫ ইসি ১০ মি লি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৫ শতক জমিতে
স্প্রে করতে হবে। একর প্রতি মাত্রা ২০০ মিলি
q অথবা গ্রেটার ৪৮ ই সি ১০ মিলি প্রতি ১০ লিটার পানিতে
মিশিয়ে ৫ শতক জমিতে স্প্রে করতে হবে। একর প্রতি মাত্রা ২০০ মিলি।
q অথবা মাইটিভিট
৮০ ডব্লিউ ডি জি একর প্রতি
মাত্রা ৩ কেজি।