শিমের ক্ষত বা এ্যানথ্রাকনোজ রোগ
ক্ষতির ধরণঃ
১। ছত্রাকের আক্রমণ পাতা, কান্ড ও ফলে দেখা যায়।
২। আক্রান্ত পাতার উপরে লাল অথবা কালো রংযের দাগ পড়ে।
৩। কান্ডে প্রাথমিক অবস্থায় লমাটে ক্ষতের সৃষ্টি হয় যা পরে কান্ডকে চারিদিক দিয়ে ঘিরে ফেলে। ফলে গাছ আক্রমণের জায়গা হতে উপরের অংশ মরে যায়।
৪। ক্ষতের রঙ বাদামী থেকে কালো বর্নের হয়।
৫। শিমের উপর ছোট ছোট বাদামী হতে খয়েরি রংযের আঁকাবাঁকা এবং অবতলীয় দাগ পড়ে।
৬। ফল বেশী আক্রান্ত হয়।
৭। ফলের ত্বকে গর্ত দেখা যায়।
৮। আক্রান্ত বীজ মরিচা রঙ ধারন করে।
গ্রীন বাংলা এগ্রোভেট লিঃ এর সমাধানঃ
v রোগ সহনশীল জাত যেমন বারি শিম ৪,৫,৬,৭,৮ চাষ করা এবং রোগমুক্ত ভালো বীজ ব্যবহার করা।
v ফসলের পরিত্যক্ত অংশ একত্র করে পুড়ে ফেলতে হবে।
v এ্যানথ্রাকনোজ রোগ মূলত বীজবাহিত রোগ। তাই কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক (যেমন অর্গাজিম ৫০ ডব্লিউ পি) প্রতি কেজি বীজে ২.৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে বীজ শোধন করতে হবে।
v মাটিতে পটাশিয়ামের অভাব থাকলে এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশী হয়। তাই জমিতে পরিমিত পটাশ সার প্রয়োগ করতে হবে।
v রোগ দেখা দেয়ার সাথে সাথে প্রপিকোনাজল গ্রুপের ছত্রাকনাশক (যেমন সুপ্রাজল ২৫০ ইসি) প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলিলিটার হারে মিশিয়ে গাছের পাতা ও ডালপালা ভালভাবে ভিজিয়ে গাছে ৭-১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।